Featured Posts

[Travel][feat1]

কম্পিউটার কি? What Is Computer? কম্পিউটার এর সংজ্ঞা

September 18, 2018

কম্পিউটার শব্দটি গ্রীক compute শব্দ থেকে এসেছে।কিন্তু কম্পিউটারের সাহায্যে অনেক রকম দুরূহ কাজ নিখুত ভাবে করা সম্ভব। কম্পিউটারের প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য হল  এটি লক্ষ লক্ষ তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ও নির্ভুলভাবে নির্দেশিত নির্দেশসমূহ পালন করতে পারে। Computer-একটি আধুনিক অত্যন্ত দ্রুতি গতি সম্পন্ন ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র। অন্যান্য ইলেট্রনিক্স যন্ত্রের সাহায্যে দুই-তিনটির বেশী কাজ করা যায় না।
What Is Computer it

ইলেকট্রনিক সংকেতের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়েছে কম্পিউটার ল্যাংগুয়েজ বা কম্পিউটার ভাষা।compute শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা। মূলত কম্পিউটার (কম্পিউটার) শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। (আবার ল্যাটিন শব্দ Computare ও থেকে Computer শব্দের উৎপত্তি বলে ও মনে করে ) পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজ করা হত।
কম্পিউটারের ল্যাংগুয়েজ এর মাধ্যমে কম্পিউটারে যে নির্দেশ দেয় তারই ভিত্তিতে Computer ফলাফল প্রকাশ করে থাকে। কম্পিউটারের এ ভাষা/ ল্যাংগুয়েজই হল কম্পিউটারের প্রোগ্রাম। প্রোগ্রাম ব্যতীত কম্পিউটার একটি জড় পদার্থ। কিন্ত বর্তমান যুগে কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের সংজ্ঞা অনেক ব্যাপকতা লাভ করেছে। কোন সীমিত সংজ্ঞা দিয়ে আর কম্পিউটার গন্ডীবন্ধ করা যায় না।

Computer এর সংজ্ঞা-  কম্পিউটার হলো একগুচ্ছ বৈদুতিক তরঙ্গকে নিজস্ব সংকেতে রুপান্তর করে ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রয়োগকৃত কমান্ডের সাহ্যাযে্য উদ্ভূ সমস্যার সমাধান করে থাকে।
কম্পিউটারের বৈশিষ্ট – কম্পিউটার নির্ভুল ফলাফল, দ্রুতগতি, ডাটা সংরক্ষন, স্বয়ংক্রিয় কর্মক্ষতা, সহনশীলতা, স্মৃতি বা মেমরী, ইত্যাদি বৈশিষ্ট বিদ্যমান।
কম্পউটারের ব্যবহার – ঘর থেকে শুরু করে অফিস- আদালত এমন কোন জায়গায় খুজে পাওয়া যাবে না।যেখানে Computer ব্যবহার হয় না, অফিসের কাজে , ব্যবসার-বাণিজে্য, স্কুলে-কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে, বিভিন্ন ধরনের প্রোজেক্ট। শিল্প-কারখানায়, খেলাধুলা, চিত্তবিনোদনে, দোকান পাট, ব্যাং-ইন্সুরেন্স কোম্পানী, আবহাওয়া অফিস, মহাশুন্য স্টেশন-ইত্যাদি সকল ক্ষত্রে কম্পিউটার ব্যবহার হয়।
কম্পিউটারের ইতিহাস- স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার ( ১৫৫০- ১৬১৭ ) হিসাব-নিকাশের জন্য হাতীর দাতের ছোট ছোট অংশ দিয়ে একটি যন্ত্র তৈরি করলেন যাকে নেপিয়ারের অস্থি বলা হয়। নেপিয়ারের অস্থি ছিল এনালগ বা তুলনাভিত্তিক গণনা গন্ত্র। পরবর্তীতে ফরাসী বিজ্ঞানী রেইজ প্যাচক্যাল( ১৬২৩-১৬৬২) প্রথম গণনার যন্ত্র চাকার সাহায্যে তৈরিতে সক্ষম হন। যেতেতু চাকা দুই দিকেই ঘুরানো যেত তাই যোগ বিয়োগ করার কোন অসুবিধা হতোনা। পরবর্তী ৩০ বছর পর বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ লিবনিজ ( Leibniz- 1646-1716) আরেকটি গণক যন্ত্র তৈবি করেন যার সাহায্যে গুন ভাগ করা যেত।
তিন শতাব্দী পূর্বে বর্তমানের সমতুল্য চার ফাংশন বিশিষ্ট ক্যালকুলেটরটিও তিনি নির্মাণ করেন।
আধুনিক কম্পিউটারের জনক হিসাবে পরিচিত বৃটিশ নাগরিক র্চালস ব্যাবেজের ( ১৭৯২-১৮৭১) নাম স্মরন করা হয়ে থাকে। তিনি ১৮২২ সালে সরকারের অনুদানে ডিফারেন্স ইঞ্জিল বা বিয়োগ ভিত্তিক গণনা যন্ত্র তৈরি করেন। ( ada augusta lovelace) আদা আগুসতা ল্যাভল্যাচ ই পৃথিবীর প্রথাম Computer প্রোগামার। প্রায় ১০৩৭-৪৪ সাল পযর্ন্ত আই বি এম কোম্পানীর সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের হাউয়ার্ড আইফেন হারভার্ড বিশ্ববিদ্যায়ে পৃথিবীর প্রথম বৈদুতিক যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরী করেন। চার্লস ব্যাবেজের এনালাইটিক ইঞ্জিনের এ ছিল বাস্তবরূপ।
কম্পিউটারের প্রজন্মঃ
প্রথম প্রজন্মঃ ১৯৪০ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল কে কম্পিউটার কে প্রথম প্রজন্ম বলা হয়।
অইঈ ( Atanasof Barry কম্পিউটার) ডঃ জন আটানাসফ। গবেষনার জন্য।
দ্বিতীয় প্রজন্মঃ ১৯৫৮ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল কে কম্পিউটার কে দ্বিতীয় প্রজন্ম বলা হয়।
গণনাকারী যন্ত্রের ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, প্রায় চার হাজার বছর পূর্বে চীনারা অ্যাবাকাস নামক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করে। যাকে কম্পিউটারের পূর্বপুরুষ বলা হয়। সেই থেকে অদাবধি বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে বর্তমান আধুনিক কম্পিউটার আবিষ্কৃত হয়েছে।
১৮৩৩ সালে আধুনিক কম্পিউটারের মৌলিক রূপরেখা তৈরী করে বৃটিশ গণিত বিশারদ চার্লস ব্যাবেজ (charles babbage)। যাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়। র্চালস ব্যাবেজের ধারণার প্রতিফলন ঘটিয়ে ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড একিনের নেতৃত্বে মার্ক-১ (Mark-1) নামের ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার আবিষ্কার হয়। এই Computer টি তৈরিতে কাজ করেছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও বিখ্যাত আইবিএম কোম্পনির একদল বিজ্ঞানী।মাইক্রো প্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে কম্পিউটারের সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটে। ১৯৭১ সালে আমেরিকার ইন্টেল (intel) কোম্পানী সর্বপ্রথম মাইক্রো প্রসেসর (micro processor) তৈরী করে। মাইক্রো প্রসেসর এক বর্গ ইঞ্চি মাপের অল্প আয়তন বিশিষ্ট সিলিকন পাতে হাজার হাজার ট্রানজিষ্টর সন্নিবেশিত একটি য্ন্ত্রাংশ। মাইক্রো প্রসেসর দিয়ে তৈরী কম্পিউটারই আধুনিক মাইক্রো কম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার।
কম্পিউটারের শ্রেণী বিভাগ :
আকৃতিগত দিক থেকে কম্পিউটারকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক. সুপার কম্পিউটার (super computer), খ. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (mainframe computer), গ. মিনি কম্পিউটার (mini computer), ঘ. মাইক্রো কম্পিউটার (micro computer)।
ক. সুপার কম্পিউটার (super computer) : আকৃতিগত দিক থেকে সর্ববৃহত এই কম্পিউটারটিতে তথ্য সংরক্ষণ-তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী ও দ্রুত গতিসম্পন্ন। এই কম্পিউটার সাধারণত বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও বৃহত প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয়। যেমন-cray-1, cray x-mp, cyber-205.
খ. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (mainframe computer) : সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তবুও অন্যান্য কম্পিউটারের চেয়ে বড় এ ধরণের কম্পিউটার একই সাথে অনেকগুলো গ্রহণ মুখ ও নির্গমন মুখ, সরঞ্জাম ও বিভিন্ন রকম সহায়ক স্মৃতির সাথে সংযোগ রক্ষা করে কাজ করে থাকে। বড় বড় প্রতিষ্ঠানসমূহ এ ধরণের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকে। যেমন-univac1100/01, ibm 6120, ibm 4341, ncr n8370, data general cs30.
গ. মিনি কম্পিউটার (mini computer) : সবচেয়ে জনপ্রিয় এটি কম্পিউটারটি আকৃতিগত ছোট ও দামে সস্তা। অফিসিয়াল কাজ, খেলাধুলা ও এন্টারটেইনমেন্ট কাজে বহুল ব্যবহৃত। এ কম্পিউটারকে পিসি (personal computer) বলে। যেমন-ibm p.c, trs 80, apple 64.
ঘ. মাইক্রো কম্পিউটার (micro computer): মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা- ১. সুপার মাইক্রো (super micro)
২. ডেস্কটপ (desktop)
৩. ল্যাপটপ (laptop)
১.       সুপার মাইক্রো (super micro) : সুপার মাইক্রো কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী মাইক্রো কম্পিউটার। এর অন্য নাম ওয়ার্ক ষ্টেশন। এই কম্পিউটারের ক্ষমতা যে কোন মিনি কম্পিউটারের কাছাকাছি হওয়ায় এগুলো মিনিফ্রেমের স্থান দখল করে নিচ্ছে।
২.       ডেস্কটপ (desktop) : এটি সহজে ব্যবহার ও ডেস্কে স্থাপন করা যায়। যেমন-আইবিএম পিসি, এ্যাপল মেকিনটোশ।
৩.      ল্যাপটপ (laptop) : ডেক্সটপ থেকে ছোট কম্পিউটারগুলো সহজে বহন ও ব্যবহার করা যায়। এটি lap (কোল) এর উপর top (উপর) রেথে কাজ করা যায়। ল্যাপটপ দুইশ্রেণীতে বিভক্ত। যেমন-নোট বুক (note book) ও পিডিএ (pda)। নোট বুক (note book) : ছোট ডায়রী ও নোটবুক আকৃতির ল্যাপটপ। এগুলোকেও    পাওয়ার বুক বলা হয়। পিডিএ (pda) : সাবনোট বুক পিডিএ (personal digital assistance) এক ধরণের ল্যাপটপ।আকৃতিগত দিক ছাড়াও গঠনগত দিক থেকে কম্পিউটারকে আরও তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
যেমন-১. ডিজিটাল কম্পিউটার (digital computer), ২. অ্যানালগ    কম্পিউটার (analog computer), ৩. হাইব্রিড কম্পিউটার (hybrid computer)।
১.       ডিজিটাল কম্পিউটার (digital computer) : এ ধরণের কম্পিউটার বর্ণ/অংক সংকেতের মাধ্যমে তথ্যগ্রহণ করে থাকে এবং ফলাফল প্রকাশ করে। এ কম্পিউটার   নির্ভুলভাবে গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ করে সূক্ষ্মভাবে। 1 ও 0 বাইনারী সংখ্যার উপর নির্ভর করে উপাত্ত সংগ্রহ করে।
২.       অ্যানালগ কম্পিউটার (analog computer) : এ কম্পিউটারে বর্ণ ও অংক সংকেতের পরিবর্তে এনালগ বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে। রোদ, তাপ, উত্তাপ, চাপ জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে অ্যানালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং ফলাফল সাধারণ প্লটার দিয়ে অংকন করে। রাসায়নিক, পেট্রোলিয়াম ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
৩.      হাইব্রিড কম্পিউটার (hybrid computer) : ডিজিটাল ও অ্যানালগ এ দুই ধরণের কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে। বৈজ্ঞানিক সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটার কি? What Is Computer? কম্পিউটার এর সংজ্ঞা কম্পিউটার কি? What Is Computer? কম্পিউটার এর সংজ্ঞা Reviewed by web development admin on September 18, 2018 Rating: 5

What is Keyword at first? কী-ওয়ার্ড কি

September 10, 2018

কেন এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ

What is Keyword

আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কী-ওয়ার্ড তো হল কিন্তু এ আবার বাছাই করবো কেন।আমরা কোন ভালো জিনিস পেতে যেমন বাছাই করি তেমনি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ভালো ফল পেতে সঠিক কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের তুলনা হয় না।
আমরা অনেক সময় ভলো ফল পাবার জন্য বিভিন্ন হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইট তৈরী করে থাকি।যেমন Download Software,Download Movie,Song,Music,Tips ইত্যাদি।এসব কী-ওয়ার্ড গুলো হাই ট্রাফিক সম্পূর্ণ।এক বার যদি এসব কী-ওয়ার্ডের ১ম পেজে থাকতে পারেন তাহলে কেল্লা ফতে।ভিজিটর নিয়া নো চিন্তা।কিন্তু এমন সব হাই-কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ডে আছে প্রচুর প্রতিযোগীতা।ভালো ভালো ওয়েবমাষ্টাররা ও মাথার ঘাম পায়ে ফেলেন এসকল কী-ওয়ার্ড নিয়ে।তবে আমরা যেহেতু প্রথম থেকে শুরু করছি তাই এত বড় বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে মাথা ঘামাবো না।তাই আমাদের বের করতে হবে কিভাবে অন্যান কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া যায়।আর এই ভালো ভালো কী-ওয়ার্ড পাওয়ার জন্যই আপনার এই কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ।
চমৎকার সব কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন অনেক ভালো ট্রাফিক।আসুন দেখা যাক কিভাবে আমরা কী-ওয়ার্ড বাছাই করবো।

প্রথমেই কী-ওয়ার্ড কি

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কী-ওয়ার্ড একটা গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক বিষয়।মূলত কী-ওয়ার্ডকে দুই ভাবে বলা যেতে পারে।১ম টি হচ্ছে যে সকল শব্দসমষ্টিকে কী-ওয়ার্ড বলে নিয়ে আপনি আপনার ওয়েব সাইটটি গঠন করেন তাকে আর ২য় টি হচ্ছে যে সকল মূলশব্দকে আপনি SEO করার জন্য বাছাই করেছেন তাকে কী-ওয়ার্ড।তবে আমার মত ২য় টাই SEO এর জন্য যথার্থ।কেননা SEO এর ভাষায় কী-ওয়ার্ড হল যে শব্দকে নিয়ে আপনি কাজ করবেন।
একটা উদাহারণ দেয়া যাক।যেমন আপনার একটা মুভি ডাউনলোডের সাইট আছে।সেক্ষেত্রে আপনার সাইটের কী-ওয়াড Download movie,Free download movie,movie watch and download এমন হওয়াই স্বভাবিক।আমরা যখন কোন কিছু সার্চ করার জন্য সার্চ বক্সে লিখি তখন সার্চ ইন্জিন সে শব্দের উপর ভিত্তি করেই ফলাফল প্রকাশ করে।আর আপনার প্রদত্ত শব্দটাই হয় কী-ওয়ার্ড।যেমন আপনি "bangladesh newspaper" লিখে সার্চ করলেন।এখানে "bangladesh newspaper" হল আপনার সার্চ কী-ওয়ার্ড।এতে সার্চ ইন্জিন আপনাকে অনেক গুলো সাইটের ফলাফল দেখাবে ।এই ফলাফল দেখানোর মানে হল সার্চ ইন্জিন আপনার প্রদত্ত সার্চ কী-ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে আপনাকে ফলাফল দেখাচ্ছে।এই ফলাফলের তালিকাই যেসকল সাইট আছে তারা সবাই bangladesh newspaper কী-ওয়ার্ড নিয়ে সাইটটি বানিয়েছে।তাহলে বুঝাই যায় যে কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণ প্রক্রিয়া

কী-ওয়ার্ড বাছাইকরণের সময় প্রথমে আপনাকে যে জিনিসটাকে মাথায় আনতে হবে তাহল সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য।এখানে আমি বুঝাতে চাচ্ছি যে আপনি যে বিষয় নিয়েই ওয়েব সাইট লিখেন না কেন আপনার সেই বিষয়টা যেন বারবার পাল্টাতে না হয়।যেমন আপনি প্রথমে ভাবলেন যে সফটওয়্যার নিয়ে একটা সাইট করবো।কিছুদূর যাওয়ার পর মনে হলো যে আপনি এই সাইট থেকে তেমন সুবিধা করতে পারবেন না।তাই সেটাকে পরিবর্তন করতে চান।এতে কি হলো।আপনার সময় ও শ্রমের সিস্টেম লস।তাই আগে থেকেই ভাবুন যে কি নিয়ে আপনি শুরু করতে যাচ্ছেন।এতে আপনার লাভ হবে না লস হবে।আগ পাছ ভেবেই তারপর শুরু করুন।
আমরা যেহেতু প্রথমেই ভালো ভালো হাই কম্পিটেশন কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ করতে পারছি না তাই আমাদের কে এমন কিছু ককী-ওয়ার্ড খুজে বের করতে হবে যার কম্পিটেশন লেভেল কম কিন্তু সেই কী-ওয়ার্ডএ বেশ ভালো ভিজিটর আসে।আর এই কী-ওয়ার্ড খোজার জন্য আপনাকে যেতে হবে এই সাইটে।গুগল এ্যাডওয়াড টুলস থেকে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ডটির সার্চ ভলিয়ম সম্পর্কে নাড়ি-নক্ষত্র জানতে পারবেন।যেমন ধরুন আপনার বাছাই করা কী-ওয়ার্ডটি প্রতি মাসে কয়বার সার্চ করা হয়।লোকাল ভাবে কয়জন সার্চ করে সারা বিশ্বে কয়বার সার্চ করা হয়,এই কী-ওয়ার্ডটির Advertiser Competition কেমন,গত মাসের কতবার সার্চ করা হয়েছে,Global Monthly Search Volume কত ইত্যাদি।
মনে করুন আপনি একটা গান ডাউনলোড করার সাইট বানাতে চান।সেক্ষেত্রে আপনার কী-ওয়ার্ডটি সম্ভবত হবার কথা Download song,।যদি নির্দিষ্ট কোন ডেশের মুভি যেমন হিন্দি মুভির সময় কী-ওয়ার্ডটি হবে Download Hindi song.এই কী-ওয়ার্ডটি অনেক বেশি হাই কম্পিটেশনাল। কিন্তু আমাদেরকে আরো কম কম্পিটেশনের কী-ওয়ার্ড খুজতে হবে।আর এই জন্য আমরা সাহায্য নিতে পারি এই সাইটে।প্রথমে আপনি সাইটে প্রবেশ করে আপনার বাছাইয়ের জন্য কী-ওয়ার্ডটি "Find keywords" টাইপ করুন।এর পর Search বাটনে ক্লিক করুন।
;;;
এর পর আপনার সামনে বেশ কিছু ফলাফল আসবে।এখন এই ফলাফলে আপনি আপনার দেয়া কী-ওয়ার্ডটির নানা ধরনের ফলাফল দেখতে পারবেন।যেমন এমাসে কয়বার সার্চ করা হয়।লোকাল ভাবে কয়জন সার্চ করে সারা বিশ্বে কয়বার সার্চ করা হয়,এই কী-ওয়ার্ডটির Advertiser Competition কেমন,গত মাসের কতবার সার্চ করা হয়েছে,Global Monthly Search Volume কত ইত্যাদি।

তাছাড়া আপনার কী-ওয়ার্ডটির সাথে মিল রেখে আরো অনেক কী-ওয়ার্ড তারা আপনার সামনে নিয়ে আসবে।একান থেকেই আমাদেরকে সঠিক কী-ওয়ার্ডটি বাছাই করতে হবে।আমাদের এই ফলাফলে দেখতে হবে যে কী-ওয়ার্ডটির Competition রেট কম কিন্তু Global Monthly Searches বা Local Monthly Searches তুলনামূলক ভাবে বেশী।যেমন আমরা "Download Of Hindi song" কী-ওয়ার্ডটির দিকে নজর দিতে পারি।দেখুন এই কী-ওয়ার্ডটিতে Competition লেভেল বেশ কম কিন্তু Global Monthly Search Volume প্রায় ৯৯০০।এর অর্থ হল এই কী-ওয়ার্ডটি বিশ্ব ব্যাপি ৯৯০০ বার সার্চ করা হয়েছে।

আবার download hindi songa কী-ওয়ার্ডটিতে নেই কোন Competition লেভেল।কিন্তু Global Monthly Search Volume ৪৮০।আবার download hindi remix কী-ওয়ার্ডটিতে Competition লেভেল মোটামুটি ভাবে ভালো।এর Global Monthly Search Volume ২২২০০।তো আপনি নিজেই ভাবুন যদি এসব কী-ওয়ার্ড আপনি ভালো করে এসইও করেন তাহলে কেমন ফল আসতে পারে।কিন্তু Download Hindi song কী-ওয়ার্ডটিতে প্রথম পেজে থাকতে হলে আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে।যা নতুনদের পক্ষে সবসময় সম্ভব হয়না।
এভাবে আপনি আপনার মুল কী-ওয়ার্ডটি থেকে অন্যান্য কী-ওয়ার্ড বাছাই করে তার উপর ভিত্তি করে সাইট বানালে আমার মনে হয় অনেক ভালো ফলাফল পেতে পারবেন।এই জন্য প্রথমে বড় কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ না করে ছোট কী-ওয়ার্ড নিয়ে কাজ শুরু করুন>দেখবেন বড় কী-ওয়ার্ড এর পিছনে খেটে আপনি ২ মাসে যা করতে পারছেন না তা আপনি ছোট কী-ওয়ার্ডে খাটিয়ে ১৫ দিনেই করতে পারবেন। এ জন্যই তো বলে "বড় যদি হতে চাও ছোট হও আগে"।
What is Keyword at first? কী-ওয়ার্ড কি What is Keyword at first? কী-ওয়ার্ড কি Reviewed by web development admin on September 10, 2018 Rating: 5

What is the most important ।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কে

September 09, 2018


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কে

What is the most important seo

আজ আমি আপনাদেরকে জানাবো SEO কার গুরুত্ব কেমন।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন বেশ কয়েকটি মৌলিক বিষয় নিয়ে গঠিত।তার মধ্যে কি কিছু কিছু মৌলিক বিষয় আছে যাদের গুরুত্ব খুব বেশী
বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ওয়েবমাষ্টারদের মধ্যে এ নিয়ে বেশ মতবিরোধ আছে।কেউ বলে ব্যাক লিংকের প্রয়োজন বেশি আবার অনেকে বলে কী-ওয়ার্ড হল কাজের জিনিস।এরকম হাজারো মতের মধ্যে সবচেয়ে প্রমাণিত ও গ্রহনযোগ্য মত দিয়েছে ।তারা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনকে ১০০% এ ভাগ করে বের করেছে সার্চ ইন্জিনে অ্যালগারিদমে কোন বিষয় গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে তারা ৭ টি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছে।সেগুলো হল

  • ১।ডোমেইন নেম বা ডোমেইন সংক্রান্ত তথ্য
  • ২।সামাজিক ওয়েব সাইটে জনপ্রিয়তা।(বিষয়টা আমি পরিস্কার নই।কেউ বুঝলে বলবেন প্লিজ)
  • ৩।ব্যাক লিংকের আনকের টেক্সট।
  • ৪।ওয়েব সাইটের ভিজির বা ট্রাফিকের পরিমান।
  • ৫।রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং এর ডাটা।
  • ৬।সাইটে কী-ওয়ার্ড ব্যবহার।
  • ৭।লিংক পপুলারিটি বা সাইটের ব্যাকলিংক।

আসুন নিচে এ সব নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করবো 

১।ডোমেইন নেম বা ডোমেইন সংক্রান্ত তথ্য। 23.87%

এখানে দেখা যাচ্ছে যে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের ১০০% এর মধ্যে ২৩.৮৭% ই হলো ডোমেন নেইম এর তথ্য।তাহলে চিন্তা করুন ডোমেনের নামকরণ বা এর সঠিক তথ্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।তাই এসইও করার সময় প্রথমেই আপনাকে নজর দিতে হবে আপনার ডোমেইনের নামের দিকে।লক্ষ্য রাখতে হবে আপনি যে বিষয় নিয়ে এসইও করতে যাচ্ছেন সে বিষয় এর সাথে আপনার ডোমেইন নামের মিল থাকে।আপনার সাইট যদি হয় গান ডাউনলোডের আর নাম যদি হয় surtarongo.com (সুর তরংগ)তা হলে আর এসইও করার দরকার নেই।

২।লিংক পপুলারিটি বা সাইটের ব্যাকলিংক।২২.৩৩%

বরাবরই বলা হয় যে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে ব্যাক লিংক "বিল্ডিং ফাউন্ডেশনের" মত কাজ করে।যার প্রমান মিললো এখানে।এখানে এসইও এর ১০০% মধ্যে ব্যাক লিংক বা লিংক পপুলারিটি দখল করে আছে ২২.৩৩% স্থান।
তাই এসইও করার সময় এই ব্যাকলিংকে ফেলে দেওয়ার কোন কারণই নেই।কথাটা মাথায় রাখুন এসইও করার সময়।

৩।ব্যাক লিংকের আনকের টেক্সট।২০.২৬%

যদি কেউ আনকোর টেক্সেটকে না চিনেন তাহলে ছবিটা দেখুন।
dd
আমরা যখন সাইটে কোন লিংক দিই তখন লিংকটি একটা টেক্সটের মধ্যে রাখি।যেমন একটা সফটওয়্যার ডাউনলোডের লিংক দিলে তা হতে পারে Download Softwer বা click heare to Download ইত্যাদি।এখানে আপনি যে লিংকটা দিলেন তার আনকোর টেক্স হল এই Download Softwer বা click heare to Download।ব্যাক লিংকের সাথে আনকোর টেক্সটের একটা মিল রয়েছে।যেমন আপনি যখন কোথাও আপনার লিংক দিবেন তখন আপনার লিংকের সাথেই আনকোর টেক্সটটি দেয়ে দিতে পারেন।এসকল নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

৪।সাইটে কী-ওয়ার্ড ব্যবহার।১৫.০৪%

১০০% এসইওর মধ্যে ১৫.০৪% স্থান কিন্তু কম নয়।তাই বলা যায় সাইটের ব্যবহারিত কী-ওয়ার্ড সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে বেশ ভূমিকা পালন করে।তাই ভালো ফল পেতে হলে সঠিক কী-ওয়ার্ড এর ব্যবহার আপনাকে অবশ্যই করতে হবে।

৫।রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং এর ডাটা।৬.৯১%

এই বিষয়টাকে আমরা অনেক গুরুত্ব সহকারে দেখিনা।কিন্তু এসইও তে এর ও অনেক গুরুত্ববহন করে থাকে।এখানে দেখা যাচ্ছে ৬.৯১% এই ওয়েব সাইটের রেজিষ্টেশন ও হোস্টিং এর ডাটা দখলে।তাই যতদূর সম্ভব আপনারা চেষ্টা করবেন ভালো ভালো সব ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ডোমেন বা হোস্টিং করার।যেমন ভালো ভালো সাইটের মধ্যে godaddy.com সাইটটি বেশ ভালো।

অনান্য ১১.৫৯%

বাদ বাকি অন্য সব মিলে আছে ১১.৫৯%।এর মধ্যে আছে ,ওয়েব সাইটের ভিজির বা ট্রাফিকের পরিমান,সামাজিক ওয়েব সাইটে জনপ্রিয়তা।তবে এসব বিষয় গুলোর সাথে আমি অমত বা কিছুটা দ্বিধার মধ্যে আছি।তাই এসব নিয়ে আপনাদেরকেও বিভ্রান্তির মধ্যে রাখতে চাইনা।
এই এনালাইজিংটা seomoz.com সাইটের।তাছাড়া আরো অনেকে এ ধরনের এসইও এনালাইজিং করে থাকে।উল্লেখ্য যে এখানে একটা বড় বিষয় তারা আপডেট করে নি।তাহল ওয়েব সাইটের লোড স্প্রীড।কেননা গুগল বেশ কিছুদিন আগে ঘোষণা দেয় যে এখন থেকে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনে সব কিছুর পাশাপশি সাইটের লোড স্প্রীড ও এর একটা অংশ হিসাবে ধরা হবে।আপনারা অনেক বলতে পারেন এখানে তো পেজ রেংক নিয়ে কোন কথা পেলাম না।পেজ রেংকের কথা অবশ্যই এর মধ্যে আছে যা তারা ব্যাকলিংক ও আনকোর টেক্সটের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছে।কেননা পেজরেংক তো এই দুইয়ের সমন্বয়।
What is the most important ।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কে What is the most important ।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কে Reviewed by web development admin on September 09, 2018 Rating: 5

What is search engine optimization ।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কী

September 09, 2018

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কী
What is search engine optimization


সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কে ইংরেজীতে সংক্ষেপে SEO বলে। seo এর পূর্ণাংগ অর্থ হল Search engine Optimization বলে। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটা পদ্বতি যার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করে আপনার সাইটকে সকলের কাছে বিনামূল্য সকলের কাছে পৌছে দিতে পারেন।আসুন উদাহারন দিয়ে বিষয়টি আরো পরিস্কার হয়ে নিই।

আমরা যখন কোন কিছুএ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইন্জিনে তা সার্চ করে থাকি।যেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন "Bangladeshi newspaper links"।এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির।আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইন্জিন এর সাথে পরিচিত। google, yahoo,ask ইত্যাদি।তার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইন্জিন।

সার্চ ইন্জিনে সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করে।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকা।আর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করে।আর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইন্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা।

এখন আমি মনে মনে ভাবতে পারেন সাইট গুলোর লিংক কী ভাবে এখানে এলো।গুগল কি সাইটগুলোকে বাছাই করেছে না কি সাইটগুলোকে গুগলে সাবমিট করার জন্য কেউ আবেদন করেছে।উপরের দুটো ভাবনাই ঠিক।তবে আগে আবেদন তার পর বাছাই করা।আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন হল এই দুই এর সমন্বয়।অর্থাৎ সঠিক ভাবে সার্চ ইন্জিনে সাইট সাবমিট থেকে শুরু করে এর বাছাইকরণ করার সবই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন।

কি কারণে এই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা।

আপনাদর অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবো।এর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো।একটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেই।আর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে
  • ১।এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া
  • ২।আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
  • ৩।সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
  • ৪।বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
  • ৫।তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।

What is search engine optimization

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের উপকারীতা

এসইও এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারীতা কথা বলে শেষ করা যাবে না।আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়াতে এর মত পদ্ধতির জুড়ি মেলা ভার।আজকের যুগ প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার যুগ।কেউ আপনার সাইটকে মনে রাখার মত সময় নেই।তারা সহজে তাদের প্রয়োজনমাফিক তথ্য অতি দ্রুত পেতে চায়।যার জন্য তারা সার্চ ইন্জিন ব্যবহার করে।আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাজেশন করা হলে আপনি আপনার সাইটকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।
আপনার সাইটের ব্যবসায়িক ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন তো মাস্ট।অলাইন মার্কেটিং করা,নতুন পণ্য সকলের সামনে তুলে ধরা,নতুন নতুন সফটওয়্যার এর প্রচার প্রচারণা সহ সকল কাজ সহজ করে দিয়েছে এসইও।
তাই অনলাইনে আ্যড এর আয় বা অলাইন মার্কেটিং যাই বলুন না কেন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন গতি নেই।যেমন গুগল এ্যাডসেন্স এর কথাই বলি।গুগল এ্যাডসেন্স এ সফলতা পাওয়ার জন্য এসইও অনেক অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।অধিক ভিজিটর পাওয়া,ক্লিক পাওয়া,আয় করা সবই সম্ভব হবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে।তো এবার আপনিই বলুন অনলাইন আয় কিংবা ভিজিটে বাড়ানোর জন্য সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন উপায় আছে?কেন সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন গুগল এ্যাডসেন্স এর আয়ের প্রধান কৌশল তা আমার এই টিউন থেকে আরো ভালো ভাবে বুঝতে পারেন।

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে কি কি লাগবে

আপনি যদি এসইও করা শিখতে চান তা হলে প্রথমে আপনাকে বেশ কিছু মৌলিক বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে।নিচে এসকল মৌলিক বিষয় গুলো দেওয়া হল:
  • ১।ওয়েব সাইট সম্পর্কে ধারণা
  • ২।কী-ওয়ার্ড বাছাই করণ
  • ৩।ব্যাক লিংক সম্পর্কে ধারণা
  • ৪।পেজ রেংক সম্পর্কে ধারণা
  • ৫।ওয়েব সাইট সাবমিট করা
  • ৬।সার্চ ইন্জিন সম্পর্কে ভালো মানের ধারণা
  • ৭।মেটা ট্যাগ এর ব্যবহার জানা।
  • ৮।অন পেজ আপটিমাইজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানা ইত্যাদি।
উপরের এসকল বিষয় গুলো সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।তাই এসইও করার জন্য এ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরী।

What is search engine optimization ।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কী What is search engine optimization ।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন কী Reviewed by web development admin on September 09, 2018 Rating: 5

খুব গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয় Schema Tag কী ।এটা দিয়ে কী করে?

September 08, 2018
Schema Tag কী?
নব্য এসইও ওয়ার্কাদের অনেকেই হয়ত এই Schema tag এর সাথে ভালোভাবে পরিচিত নয়। তাদেরকে একটা স্পষ্ট গাইডলাইন দেওয়ার জন্যই আজকের এই কন্টেন্টটি।
Schema Tag কী?

সোজা কথায় schema tag হলো এক ধরনের Markup ল্যাংগুয়েজ যেটা ব্যবহার করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন প্রোডাক্ট,আর্টিকেল ইত্যাদির data সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্টে পেইজে highlight করাতে পারবেন।এটা html এরই একটি অংশ।
বুজলাম না ভাই?
” today temperature in Dhaka “একটা উদাহরন দিচ্ছি,গুগলে সার্চ করেন
কী দেখতে পেলেন?
কোন আর্টিকেল?কোন ভিডিও? না; আপনি সরাসরি আজকের ঢাকার তাপমাত্রাটাই দেখতে পেলেন।
গুগল যে দেখালো আজকে ঢাকার তাপমাত্রা,
Schema Tag কী
এটা কি গুগলের নিজস্ব রেজাল্ট?না; এটা গুগল কোন একটা ওয়েবসাইট থেকে নিয়ে এসেছে।
ওয়েবসাইটটির নামঃ wheter.com
এই wheter.com তাদের ওয়েবসাইটে এমন কিছু html ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে গুগল কে বুঝিয়ে দিয়েছে যে,এটা হচ্ছে ঢাকা শহরের আজকের তাপমাত্রা।তোমার কাছে যদি কেউ জানতে চায় তাহলে তুমি তাকে এটা দেখিয়ে দিবে।Then,Google এর কাছে যখন কেউ জানতে চেয়েছে যে,আজকে ঢাকার তাপমাত্রা কত? গুগল তাকে এটা দেখিয়ে দিয়েছে।
ঠিক এই ল্যাংগুয়েজগুলাকেই বলা হয় Schema tag যেটা wheter.com তাদের ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে গুগলকে চিনিয়ে দিয়েছে।এবার বুজতে পেরেছেন,
Schema Tag কী

আশা করি এবার সকলেই বুজতে পেরেছেন যে schema Tag জিনিসটা কী ও এটা দিয়ে কী করে।

একইভাবে সার্চ করতে পারেন
১) shakib al hasan age
২) books of humayun ahmed
৩) president of Bangladesh
যে রেজাল্টগুল দেখতে পাচ্ছেন,সবই কিন্তু গুগল এই schema tag এর মাধ্যমেই চিনতে পেরেছে ও সেই অনুযায়ীই রেজাল্ট শো করছে।
এই রেজাল্টগুলো wikipidia থেকে এসেছে। wikipidia তাদের ওয়েবসাইটে এই schima tag ইউস করে গুগলকে চিনেয়ে দিয়েছে যে,এটা অমক,উনার বয়স এত,এগুলো হচ্ছে উনার ছবি।উনি এই কাজ করেন কিংবা এই পদে রয়েছেন।উনার বর্ননা এই এই ইত্যাদি।তোমার কাছে কেউ জানতে চাইলে,তুমি এগুলো দেখিয়ে দিও।
অনেকেই মনে করেন যে,গুগলে শুধু ফেমাস লোকের বর্ননা,ছবি পাওয়া যায়।আমাদের মতো সাধারন মানুষকে গুগল চিনে না।ব্যাপারটা আসলে তা নয়,ব্যাপারটা হচ্ছে এই Schema Tag।আমরাও যদি কোন ওয়েবসাইটের নিজের সম্বন্ধে বর্ননা দিয়ে সেটা পাবলিশ করি এবং গুগলকে Schema tag এর মাধ্যমে দেখিয়ে দেই,তাহলে গুগল আমাদের তথ্যও ঐ ফেমাস লোকদের মতো শো করবে।ব্যপারটা বেশ Interesting না?
Schema Tag কী

তাহলে আসুন দেখে নিই, আমরা কীভাবে এই Schema tag ইউস করব?তারা আগে জেনে নেওয়া প্রয়োজন, আমরা কেন schema ট্যাগ ইউস করব?

যে জন্য আমরা ওয়েবসাইটে Schema Tag ইউস করব?
আমরা যখন কোন ই-কমার্স/বিজনেস ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করব,তখন আমাদের এই schema tag ইউস করতে হবে।কারন,
 প্রোডাক্টের দাম কত?
 প্রোডাক্টের ছবি
 প্রোডাক্টের বিস্তারিত
 প্রোডাক্টের রেটিং কেমন?
 ফেমাস হওয়ার জন্য
ইত্যাদি গুগলকে এই schema tag ইউস করেই বুজিয়ে দিতে হবে।then, অই প্রোডাক্ট সম্পর্কে/এর দাম জানতে চেয়ে যদি কেউ গুগলে সার্চ করে তাহলে গুগল আমাদের ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নিয়ে তাকে জানিয়ে নিবে।
যেমনঃ symphony v75 price in Bangladesh এই কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করলে গুগল www.mobiledokan.com/symphony-v75/ ওয়েবপেইজ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে ইউসারকে জানিয়ে দিচ্ছে।
Schema Tag কী
ঠিক তেমনি আমাদের প্রোডাক্ট সম্পর্কে যদি কেউ গুগলে সার্চ করে তাহলে গুগল যেন আমাদের ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নিয়ে ইউসারকে জানাতে পারে,আমরা সেই ব্যবস্থা করে দিব এই schema tag ব্যবহার করে।
symphony v75 price in Bangladesh কী-ওয়ার্ডে গুগলে প্রতি মাসে ৩৬০০ সার্চ হয়।তাহলে www.mobiledokan.com ওয়েবসাইটটি তাদের ওয়েবসাইটে schema tag ইউস করে কত ভেল্যু পাচ্ছে দেখেছেন?
Schema Tag কী
আমরাও এমন ভেল্যু পেতে পারি
শুধু ইকমার্স/বিজনেস নয়,আমরা আরো অনেক ক্যাটাগড়ির ওয়েবসাইটে এই schema tag ইউস করতে পারি।
খুব গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয় Schema Tag কী ।এটা দিয়ে কী করে? খুব গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়  Schema Tag কী ।এটা দিয়ে কী করে? Reviewed by web development admin on September 08, 2018 Rating: 5

জানুন কিভাবে মাসিক হাজার ডলার ইনকাম করবেন এবংGoogle Adsense কি?

September 08, 2018
আপনি কি অ্যাডসেন্সথেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন?
খুবই কমন কিছু প্রশ্ন।গুগল এডসেন্স কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে?
জেনে নিন এডসেন্স এপ্লাই করার পূর্বে জেনে রাখা আবশ্যক পয়েন্ট গুলো।আপনার গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য গাইড নিন
গুগল অ্যাডসেন্স কি?

গুগল অ্যাডসেন্স কি?

এই পোষ্টে আমি আপনাকে অ্যাডসেন্স সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব এবং কিভাবে এটি আমার ইনকাম এর একটি উপায় হলো তা শেয়ার করব। আপনিও ঘরে বসে ইনকাম করতে পারেন।

আপনি যদি ব্লগিং শুরু করে থাকেন এবং অনলাইনে নিয়মিত ঘাটাঘাটি করে থাকেন, আপনি গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে শুনেছেন। গুগল অ্যাডসেন্স হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় আডভারটাইজিং মাধ্যম, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। উপরের চিত্রে লাল অংশটুকু হলো গুগল অ্যাড


  • ১। এটি Google এর আয়ের একটি বড় অংশ তৈরি করে। গুগলের মাসিক আয় সম্পর্কে আপনার নিশ্চয় ধারণা আছে। এই আয়ের কিছু অংশই গুগল আপনাকে দেয় প্রকাশক হিসেবে।
  • ২, এটি Google (বিশ্বের আইটি জায়ান্ট) এর মালিকানাধীন। আপনার পেমেন্ট নিশ্চিত।
  • ৩, //www.google.com/adsense পূরণ করে এমন যে কোনও ওয়েবসাইটের সাথে যে কেউ অ্যাডসেন্স প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারে।
  • ৪। অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপনগুলি মোবাইল ডিভাইসগুলিতেও দেয়া যায়।
  • ৫, অ্যাডসেন্স এর কঠোর নিয়ম আছে যা কোন কারণে লঙ্ঘন করা উচিত নয়। একটি অ্যাডসেন্স প্রকাশক হিসাবে আপনার দায়িত্ব এবং নিয়ম অনুসরণ করাও আপনার গুরু দায়িত্বের মধ্যে পরে।
  • ৬, অ্যাডসেন্স ডেস্কটপ ওয়েবসাইট, ভিডিও, গেমস, মোবাইল অ্যাপস এবং আরও অনেক কিছুর জন্য উন্মুক্ত।
  • ৭, অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপন টেক্সট এবং ইমেজ সহ বিভিন্ন বিন্যাস এবং মাপ থাকে।
  • ৮, অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের Google Inc. দ্বারা পেমেন্ট করা হয় যা সম্মানের ভাগীদার
গুগল অ্যাডসেন্স পাবার শর্ত
১। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট নুন্যতম ৬ মাস পুরনো হতে হবে। ব্যাতিক্রম হতে পারে যদি আপনার ওয়েবসাইট ক্যাটেগরি একক হয় এবং আপনি সুন্দর করে সাজাতে পারেন তাহলে ১ মাসেও সম্ভব। এই ওয়েবসাইট মাত্র ২০ দিনের মাথায় অ্যাডসেন্স ছাড়পত্র পায় 🙂 কারন হিসেবে বলা যায় ইউনিক ক্যাটেগরি/ Unique Niche- আমা রব্লগ
২। আপনার ওয়েবসাইটে মিনিমাম ৩০-৩৫ টা ইউনিক পোস্ট থাকতে হবে। অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের ক্যাটেগরির সাথে মিল থাকতে হবে।
৩। আপনার ওয়েবসাইটে সকল পোস্ট/আরটিকেল ইউনিক হতে হবে। কোথাও থেকে কপি করে দেয়া যাবেনা।
৪। অন্য কোন নেটওয়ার্ক এর এড আপনার সাইটে থাকলে, অ্যাডসেন্স আবেদনের পূর্বেই তা স্থগিত রাখুন। গুগল সাধারণত ফ্রেশ ওয়েবসাইট পছন্দ করে।
৫। আপনার ওয়েবসাইট Adult/Hacking রিলেটেড হওয়া যাবেনা।
৬। হোম পেইজ/লেন্ডিং পেইজ সিম্পল রাখুন। সাইট লোডিং টাইম ৩ সেকেন্ডের মধ্যে রাখুন। কারন গুগল স্লো সাইট পছন্দ করেনা। আপনার সাইট স্পীড টেস্ট করুন
৭। অ্যাডসেন্স কোড আপনার সাইটে সঠিক ভাবে বসান।
সকল শর্ত মেনে অ্যাডসেন্স আবেদন করে থাকলে গুগল সাধারণত ৭-১০ দিন সময় নেয় সাইট রিভিউ করার জন্যে।

অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের জরুরী তথ্যঃ

CPC, CPM, CTR PPC কি?
CPC-Cost Per Click : গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো CPC. এর মানে, আপনার অওয়েবসাইটের ভিজিটর যতবার আপনার অ্যাড এ ক্লিক করবে আপনি টাকা পাবেন। তারমানে এই না, নিজেই নিজের অ্যাড এ ক্লিক করা যাবে। প্রকাশক নিজের অ্যাড এ ক্লিক করা কঠোরভাবে নিষেধ। গুগল আমাদের সবার চেয়ে অনেক বেশি স্মার্ট। আত্মীয়স্বজন দের দিয়ে অ্যাড এ ক্লিক করানো কৌশল করবেন না। গুগল ধরতে পারলে আপনার একাউন্ট বাতিল করে দিবে।
CPM- Cost per thousand Impression : ভিজিটর আপনার অ্যাড যতবার ভিউ করলো। প্রতি এক হাজার বার ভিউ এর জন্যে গুগল আপনাকে টাকা পে করবে।
CTR-Click Through Rate : আপনার কত শতাংশ ভিজিটর অ্যাড এ ক্লিক করলো। সাধারণত CTR ২-৫% হওয়া ভালো।
আপনি যদি বেশি CPC কিওয়ার্ড দিয়ে আর্টিকেল সাজাতে পারেন তবে ২-৫% CTR দিয়েও খুব ভালো ইনকাম করা যায়।
CTR ১৫% এর বেশি গেলে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। গুগল মনে করে ২-৫% CTR স্ট্যান্ডার্ড। এর বেশি মানে প্রকাশক নিজে বিভিন্ন উপায়ে অ্যাড এ ক্লিক করাচ্ছে যা গুগল এর নীতির বাইরে।
PPC-Pay Per Click : বিজ্ঞাপনদাতার উপর গুগল এই মেথড ফলো করে। এর মানে আপনার ওয়েবসাইট এ যে বিজ্ঞাপন গুগল দিবে তার উপর প্রতি ক্লিকে গুগল বিজ্ঞাপনদাতা থেকে যে অর্থ নিবে সেটাই PPC
ইনকাম কত করতে পারবেন?
ইনকাম আপনার আর্টিকেল লেখা এবং ওয়েবসাইট প্রচারের উপর নির্ভর করে। আপনার সাইটে যত বেশি ভিজিটর আসবে তত বেশি আপনার CPM হবে।
আর CPM বাড়লে CTR এমনিতেই বাড়তে থাকবে।
সর্বদা CTR খেয়াল রাখবেন। প্রতিদিন একবার হলেও আপনার অ্যাডসেন্স একাউন্টে লগইন করে দেখে নিন আপনার CTR
CTR ১০% এর বেশি হয়ে গেলে এড অফ করে দিন। ১ দিন দেখুন CTR রেট কমে আসলে আবার এড ডিস্প্লে করুন।
CTR এবং ভিজিটর ডিটেইলস পেতে গুগল এনালাইটিক্স ব্যাবহার করবেন। গুগল এনালাইটিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী একটি টুল সাইট অওনারদের জন্যে।
বাংলায় সাইট হলে কি করবেন?
অ্যাডসেন্স দিয়ে যদি ভালো কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল সাজানো যায় এবং মাসে হাজার ডলার ইনকাম করা যায় সহজেই।
আপনার সাইট যদি হয় বাংলায় সেইক্ষেত্রে আপনাকে একটু বেশি এডভান্স হতে হবে। কারন বাংলায় ভালো CPC কিওয়ার্ড পাওয়া কষ্টসাধ্য।
বাংলায় আপনার সাইট হলে অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়া তে আপনাকে ব্যাপক শক্তিশালী হতে হবে।
আরো বিস্তারিত এবং কিভাবে কোন মেথড ব্যাবহার করতে হবে তা আমাদের সাইট এ আপডেট ভার্সন পাবেন শীঘ্রই।

জানুন কিভাবে মাসিক হাজার ডলার ইনকাম করবেন এবংGoogle Adsense কি? জানুন কিভাবে মাসিক হাজার ডলার ইনকাম করবেন এবংGoogle Adsense কি? Reviewed by web development admin on September 08, 2018 Rating: 5

android emulator for pc ।এবার হাই স্পিড এ চালান এন্ড্রয়েড এপস কম্পিউটারে

September 04, 2018

কম্পিউটার ডক্টরের পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আজ আপনাদের মাঝে আবার ফিরে এলাম আরেকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য
android emulator for pc

এখন যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটি হল কিভাবে মোবাইলের মতো কম্পিউটারে android apps আমরা ব্যবহার করতে পারি ইন্সটল করতে পারি আমাদের এন্ড্রয়েড মোবাইলে যে কাজগুলো করা যায় আমরা সেই কাজগুলো এখানেই করতে পারি c বা laptop দিয়ে

এর জন্য আমাদের কিছু কাজ করতে হবে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে চলুন শুরু করা যাক
নিচের স্ক্রিনশট সহ দেখানো হয়েছে
প্রথমে এই লিঙ্কে গিয়ে সফটওয়্যারটি download করে নিন
লিংকে ক্লিক করলে নিচের মত একটা পেজ আসবে
android emulator for pc
মার্ক করা স্থানের যেকোনো একটিতে ক্লিক করলেই ফাইলটি ডাউনলোড হবে
এবার আপনার মাই কম্পিউটারে প্রবেশ করে ডাউনলোড ফোল্ডার এ জান download ফোল্ডারটি ওপেন করুন
android emulator for pc ।
ডাউনলোড ফোল্ডার ওপেন করার পর নিচের মত একটি ফাইল দেখতে পাবেন zip file
android emulator for pc



ওই জিপ ফাইলটি মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে extract all করুন
extract করার সময় একটি পাসওয়ার্ড চাইবে পাসওয়ার্ড টি হল
password= hafiz

পাসওয়ার্ডটি দেওয়া হলে একটি সফটওয়্যার বেরিয়ে আসবে তার একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার বেরিয়ে আসবে
সফটওয়ারটিতে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে run as administrator এ ক্লিক করুন

android emulator for pc


দেখা যাবে নিচের সফটওয়ারটি রান হয়েছে 
android emulator for pc ।
এবার next বাটনে ক্লিক করুন

android emulator for pc ।
এখানে ডিসলাইন বাটনে ক্লিক করুন

android emulator for pc ।



দেখা যাবে 341 এমবির মত ডাউনলোড ডাউনলোড হওয়ার পর অটোমেটিক ইন্সটল সফটওয়্যার ইন্সটল করে ঠিক একই ভাবে সফটওয়্যার ইন্সটল করতে হবে

ইন্সটল হয়ে গেলে কাজ শেষ তখন সফটওয়্যার টি চালু করবেন চালু করলেই দেখা যাবে একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস রান হয়ে গেছে
android emulator for pc

এবার আপনি প্লে স্টোর ইমেইল দিয়ে অন করে প্লে স্টোর থেকে সফটওয়ার ইনস্টল করতে পারেন এবং বাহির থেকে কম্পিউটার থেকে apk ফাইল ইনস্টল করতে পারেন


এই লেখাগুলো যদি আপনার একটুও ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার করুন আপনাদের বন্ধুদের দেখার জানার সুযোগ করে দিন
আমার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে কন্টাক ফর্মে মেসেজ দিতে পারেন এবং ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন
আজ এ পর্যন্তই শেষ করছি ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আবারও ফিরে আসার শুভকামনা রইল


android emulator for pc ।এবার হাই স্পিড এ চালান এন্ড্রয়েড এপস কম্পিউটারে android emulator for pc ।এবার হাই স্পিড এ চালান এন্ড্রয়েড এপস কম্পিউটারে Reviewed by web development admin on September 04, 2018 Rating: 5
Powered by Blogger.